Sesh theke suru kolkata bangla movie full review & Download

শেষ থেকে শুরুঃSesh theke suru kolkata bangla movie full review & Download

প্রযোজক – জিত ফিল্ম ওয়ার্কস অভিনয়- জিত, কোয়েল মল্লিক, ঋতাভরী, ত্রিধা চৌধুরী

শুরু হবার আগেই শেষ হয়ে যাওয়া সিনেমা……………

কাহিনী —-
শুরুতেই বলে রাখি সিনেমাটি তুর্কী সিনেমা “ Water and Fire” থেকে অনুপ্রাণিত । গল্পের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ, ভারত, লণ্ডন কে জুড়ে দিয়ে মৌলিক প্রমাণ করার ব্যর্থ চেষ্টা করা হয়েছে । সিনেমা জুড়েই রয়েছে মাহিদ এর জীবনের সম্পর্ক ও জীবনের টালমাটাল পরিস্থিতির গল্প । ভালোবাসা, প্রাক্তন এর প্রেমে ফিরে যাওয়া, লুকিয়ে লুকিয়ে বেড়ানো, সংঘর্ষ ব্যাস সবকিছু মিলেই এই সিনেমা !! চিত্রনাট্য আহামরি কিছু নয় ও ধীরগতির । গল্পের কোন ভারসাম্যই ছিল না ।

যেভাবে নিউজ চ্যানেলের টু উইন্ডো প্যাটার্নে দুটো ঘটনাকে সমান্তরালভাবে তুলে ধরা হচ্ছিল তাতে কোন একটিতেও মন দেয়া যাচ্ছিল না । সম্পর্কের উঠানামা ও বিরোধ গুলিয়ে ফেলেছেন চিত্রনাট্যকার ।

আর ভালোবাসার তো একটা সময়-সুযোগ থাকে । কিন্তু হাত এ নখের আচড় কেটে রক্তারক্তি করে যে ভালোবেসে প্রকাশ করা যায়, প্রেমে পড়া যায় তা এ সিনেমা শেখে শেখা গেছে । ১ম দিন দেখেই দ্বিতীয় দিনে বিয়ে করার প্ল্যান। বাহ ! তারিফ করতে হয় । ( যদিও এখন অনেকে অনেক উদাহরণ টানবেন)

অভিনয়ঃ জিত, কোয়েল মল্লিক, ঋতাভরী সবাই মোটামোটি ভালো ছিলেন । বাংলাদেশীদের মতো করে ডায়লগ ডেলিভারী দিতে গিয়ে জিত ব্যর্থ হয়েছেন । সাথেকার ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করা ছেলেটি আরো বিরক্তিকর ছিলেন ।

পরিচালনা———————–
রাজ চক্রবর্তীর পরিচালনায় নির্মিত এটি জিতের ক্যারিয়ারের ৫০তম সিনেমা । আইটেম সং, নাচ, প্রেম ইত্যাদি থাকলেও পর্দায় রেশ বেশিক্ষণ স্থায়ী করতে পারেননি পরিচালক । অনেকবার গল্পের ছন্দপতন ঘটেছে। মাঝের অংশ জোড়ালো হলেও সিনেমার শেষ অংশ দুর্বল ছিল ।

গানগুলোও মনঃপুত হবার মতো না ।

ভাষাগত সমস্যাঃ
“বাইয়া”গরম গরম কফি বানাইয়া আনলাম , ঠান্ডায় বাল্লাগবো, খাইয়া দেহেন” যদি কিছু মনে না করেন তাইলে একখান কতা বলি? আপনার এই বিষণ্ণ মুখ দেখবার একদম ইচ্ছা করতাছে না ।“

এটা মাথায় আসে না , যে কোন কারণে ওদের দেশের সিনেমাগুলোতে বাংলাদেশীদের ভাষাকে এমনভাবে রিপ্রেজেন্ট করা হয় কেন? আমাদের শহরের মানুষরা কি বলে ? জিত কি তাহলে গ্রামের প্রতিনিধি ? কারণ গ্রামের মানুষও অন্তত বিমানে বসে বাইয়া, খাইমু, আসমু, যাইমু বলে না ! যাইহোক বাংলাদেশীর ভাষাকে কলকাতার সিনেমাগুলোতে এভাবে প্রেজেন্ট করা অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে ।

বেশিরভাগ কথোপকথনে মনে হচ্ছিল “মীনা” কার্টুন এর রাজু ক্যারেক্টার এর ডাবিং আর্টিস্ট ডাবিং করে দিয়ে এসেছে ।

সবমিলিয়ে জিতের ৫০ তম ছবি শুরু হবার আগেই যেন শেষ হয়ে গেল ! দর্শকদের জন্য পীড়াদায়ক ছবি। কাহিনীর ক্যাঙ্গারুরুপী আচরণ যে কাউকে হতাশ করবে ( লাফিয়ে এদিক সেদিক ছুটে চলা আর কি ! ) এই সিনেমার আইডিয়া দিয়েছিলেন আমাদের নুসরাত ফারিয়া মাজাহার ।

রেটিংস – ০১/০৫

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *